নুসরাতের জবানবন্দি ভিডিও করে সামাজিক মাধ্যমে ‘ছড়িয়ে দিয়েছিলেন ওসি’

0
295
nusrat-newsupdate24bd
ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহানের জবানবন্দি রেকর্ড করে সেটা ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পিবিআই সদর দফতরের সিনিয়র এএসপি রিমা সুলতানা এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামালায় তারা এসব অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন। তদন্ত শেষে সব তথ্য প্রমাণ আজ রবিবার প্রতিবেদন আকারে সাইবার ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়া হয়েছে।
রিমা সুলতানা বিবিসি বাংলাকে বলেন, “তদন্তের সব তথ্য উপাত্তা যাচাই বাছাই শেষে ওই ওসির বিরুদ্ধে থানায় বক্তব্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়াসহ প্রত্যেকটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।”
গত ১৫ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পিবিআই-কে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের করেন অভিযোগ করে একই মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দু’জনকে থানায় নিয়ে যান ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন এবং সেখানে নুসরাতের মৌখিক অভিযোগ ভিডিও করা হয়।
এরপর গত ৬ এপ্রিল সকালে রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় যায়। সেখানে মুখ ঢাকা কয়েকজন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। এতে নুসরাত অস্বীকৃতি জানালে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় নুসরাত।
রিমা সুলতানা বিবিসি বাংলাকে বলেন, “তদন্তের সব তথ্য উপাত্তা যাচাই বাছাই শেষে ওই ওসির বিরুদ্ধে থানায় বক্তব্য ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেয়াসহ প্রত্যেকটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।”
গত ১৫ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পিবিআই-কে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের করেন অভিযোগ করে একই মাদ্রাসার ছাত্রী নুসরাত। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দু’জনকে থানায় নিয়ে যান ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন এবং সেখানে নুসরাতের মৌখিক অভিযোগ ভিডিও করা হয়।
এরপর গত ৬ এপ্রিল সকালে রাফি আলিম পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় যায়। সেখানে মুখ ঢাকা কয়েকজন তাকে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগ তুলে নিতে চাপ দেয়। এতে নুসরাত অস্বীকৃতি জানালে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে ১০ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় নুসরাত।

 

 

Mehedi Hasan/newsupdate24bd

Ad

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here