প্রধানমন্ত্রী মাওয়া পৌঁছেছেন একটু পরেই উদ্বোধন

অর্থনীতি বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী মাওয়া পৌঁছেছেন একটু পরেই উদ্বোধন। একটু পরেই উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রী মাওয়া পৌঁছেছেন। পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হবে আর কিছুক্ষণ বাদেই। বহু কাঙ্ক্ষিত সেই সেতুর উদ্বোধন করতে সেতুর মাওয়া প্রান্তে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ৯ টা ৫৫ মিনিটে তিনি হেলিকপ্টার করে মাওয়া সমাবেশ স্থলে এসে পৌঁছান । তিনি সেখানে প্রথম সুধী সমাবেশে ভাষণ দেবেন। মাওয়া প্রান্তে সুধী সমাবেশে ভাষণ শেষে তিনি উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। অমনি খুলে যাবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অপরাপর অংশের জন্য সংযোগ, যোগাযোগ ও সম্ভাবনার অনন্ত দুয়ার।

আজ ভোর থেকেই সেতুর দুই প্রান্তে দলে দলে মানুষ আসতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী মাওয়া প্রান্তে সেতুর উদ্বোধন করে টোল দিয়ে গাড়িতে সেতু পার হবেন। যাবেন অপর প্রান্তে। সেখানে ফলক উন্মোচনের পর বেলা ১২টায় হবে সমাবেশ। সেখানে অন্তত ১০ লাখ মানুষের সমাগমের কথা বলেছেন আয়োজকেরা। সেখানে আজ ভোর থেকে নেমেছে মানুষের ঢল। দক্ষিণের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ জড়ো হচ্ছে সেখানে। নানা রঙের টি শার্টে সমাবেশে আসছে মানুষ।

নির্ঘুম রাত, গানের আসর আর নৌকার পালে সেতু বরণের প্রস্তুতি!!
কয়েক ঘণ্টা পরই পদ্মা সেতুর দুয়ার খুলবে। দক্ষিণের মানুষের ঢল নেমেছে শরীয়তপুর প্রান্তে। এ ঢলের শুরু গতকাল শুক্রবার রাত থেকে। নাওডোবা এলাকা গত রাতে ঘুমায়নি। দেশের এ ইতিহাসের সাক্ষী হতে চায় সবাই। নির্ঘুম রাতকে আনন্দময় করতে বসানো হয় গানের আসর। সকালে লাল-সবুজের নৌকার পাল ভাসে পদ্মায়। এখন শুধু অপেক্ষা।

শরীয়তপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই লঞ্চ ও ট্রলারে করে রওনা হয়েছেন পদ্মা সেতু অভিমুখে। এই বাহনগুলো সেজেছে জাতীয় পতাকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিতে। অনেকে গভীর রাতে ও ভোররাতে পৌঁছেছেন জাজিরার নাওডোবায়। আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা তাঁদের আপ্যায়নের জন্য বিরিয়ানি ও খিচুড়ি বিতরণ করেছেন। তাঁদের বিনোদন দিতে গানের আসরের ব্যবস্থাও ছিল।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২২ জুনের সংবাদ সম্মেলনে জানান, পদ্মা সেতুর প্রকল্প ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। ২১ জুন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২৭ হাজার ৭৩২ কোটি ৮ লাখ টাকা।

একটু পরেই উদ্বোধন, প্রধানমন্ত্রী মাওয়া পৌঁছেছেন

পদ্মা সেতু দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলাকে সড়কপথে সরাসরি সংযুক্ত করেছে। কংক্রিট আর ইস্পাতের কাঠামোয় পদ্মা নদীর দুই প্রান্তের সামাজিক ও অর্থনৈতিক যোগাযোগের সেতুবন্ধ ঘটছে। তবে এই সেতু শুধু একটি বড় অবকাঠামো নয়, এটি বিদেশি অর্থায়ন ছাড়া প্রথমবারের মতো বাস্তবায়িত বাংলাদেশের একটি ‘মেগা’ প্রকল্প। এটি প্রমত্ত পদ্মার বুকে কারিগরি নানা জটিলতা কাটিয়ে নির্মাণ করা একটি সেতু। এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর মানুষ ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান।