০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে আখাউড়ার ১০টি গ্রাম প্লাবিত

নিউজ আপডেট
নিউজ আপডেট

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার অন্তত ১০টি গ্রাম কম-বেশি প্লাবিত হয়েছে। পানি উঠে গেছে স্থলবন্দর এলাকায়। এতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়াসহ সবজি ক্ষেত, পুকুর, রাস্তাঘাটের ক্ষতি হয়েছে। রোববার দুপুরের পর থেকে পানির প্রবাহ বাড়তে থাকে।

এলাকাবাসী ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সেই সাথে ত্রিপুরার উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সীমান্তবর্তী নিম্নাঞ্চল এলাকায় আকস্মিক পানি বাড়তে শুরু করে। স্থলবন্দর এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে চলা কালন্দি খাল দিয়ে সকাল থেকে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানি হু হু করে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করে। এতে করে দক্ষিণ ইউনিনের আখাউড়া-আগরতলা সড়কের দুপাশের কালিকাপুর, বীরচন্দ্রপুর, আবদুল্লাহপুর, বঙ্গেরচর, রহিমপুর, সাহেবনগর, মোগড়া ইউনিয়নের খলাপাড়া উমেদপুর, উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের টনকি, ইটনা, কর্ণেলবাজারসহ আশপাাশের বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিএম রাশেদুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ১১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তালিকা তৈরী করে ক্ষতিগ্রস্ত পানিবন্দীদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনজুর রহমান বলেন, হাওড়া নদীর পানি স্বাভাবিকের তুলনায় ৪২ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এতে বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে। কোথাও বাঁধ ভাঙার খবর পাওয়া যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০১:৩০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
১৮৭

বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে আখাউড়ার ১০টি গ্রাম প্লাবিত

আপডেট: ০১:৩০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি : কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার অন্তত ১০টি গ্রাম কম-বেশি প্লাবিত হয়েছে। পানি উঠে গেছে স্থলবন্দর এলাকায়। এতে ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়াসহ সবজি ক্ষেত, পুকুর, রাস্তাঘাটের ক্ষতি হয়েছে। রোববার দুপুরের পর থেকে পানির প্রবাহ বাড়তে থাকে।

এলাকাবাসী ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সেই সাথে ত্রিপুরার উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সীমান্তবর্তী নিম্নাঞ্চল এলাকায় আকস্মিক পানি বাড়তে শুরু করে। স্থলবন্দর এলাকার পাশ দিয়ে বয়ে চলা কালন্দি খাল দিয়ে সকাল থেকে ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের পানি হু হু করে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করে। এতে করে দক্ষিণ ইউনিনের আখাউড়া-আগরতলা সড়কের দুপাশের কালিকাপুর, বীরচন্দ্রপুর, আবদুল্লাহপুর, বঙ্গেরচর, রহিমপুর, সাহেবনগর, মোগড়া ইউনিয়নের খলাপাড়া উমেদপুর, উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের টনকি, ইটনা, কর্ণেলবাজারসহ আশপাাশের বেশ কয়েকটি নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিএম রাশেদুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে ১১টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। তালিকা তৈরী করে ক্ষতিগ্রস্ত পানিবন্দীদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনজুর রহমান বলেন, হাওড়া নদীর পানি স্বাভাবিকের তুলনায় ৪২ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এতে বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে। কোথাও বাঁধ ভাঙার খবর পাওয়া যায়নি।