০৩:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার জাতিসংঘ মহাসচিব ও ড. ইউনূসের

নিউজ আপডেট
নিউজ আপডেট

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উখিয়ায় শরণার্থী শিবিরে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে ইফতার করেছেন।

আজ শুক্রবার দুপুর ১২টা ৪৮ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও আন্তোনিও গুতেরেসকে বহনকারী বাংলাদেশে বিমানের একটি ফ্লাইট কক্সবাজারে পৌঁছে। এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান।

কক্সবাজারে পৌঁছে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। সেখানে তিনি রোহিঙ্গাদের কথা শুনেছেন এবং ক্যাম্পের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেছেন। এ সময় রোহিঙ্গা শিক্ষার্থী ও কমিউনিটি নেতারা রাখাইনের গণহত্যার বিচার ও নিজ দেশে ফিরে যেতে অ্যান্তোনিও গুতেরেসের কাছে আকুতি জানান। পাশাপাশি খাবার বিল কমানোসহ টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বক্তব্যও দেন তারা।

এসময় রোহিঙ্গাদের আশ্বস্ত করে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে জোরালো আওয়াজ তুলবো। কারণ, সম্মানের সঙ্গে এখানে বসবাসের জন্য এই সম্প্রদায়ের মানবিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, ক্যাম্পে রোহিঙ্গা মানসম্মত জীবনযাপন প্রয়োজন। এটি নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে জাতিসংঘ। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। যত দেশ সম্ভব আমি কথা বলব, যাতে করে ফান্ড পাওয়া যায় এবং এর থেকে আরও খারাপ পরিস্থিতি না আসে।

Please Share This Post in Your Social Media

আপডেট: ০৮:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
৫৯

এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার জাতিসংঘ মহাসচিব ও ড. ইউনূসের

আপডেট: ০৮:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উখিয়ায় শরণার্থী শিবিরে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে ইফতার করেছেন।

আজ শুক্রবার দুপুর ১২টা ৪৮ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও আন্তোনিও গুতেরেসকে বহনকারী বাংলাদেশে বিমানের একটি ফ্লাইট কক্সবাজারে পৌঁছে। এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বিমানবন্দরে তাদের স্বাগত জানান।

কক্সবাজারে পৌঁছে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। সেখানে তিনি রোহিঙ্গাদের কথা শুনেছেন এবং ক্যাম্পের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেছেন। এ সময় রোহিঙ্গা শিক্ষার্থী ও কমিউনিটি নেতারা রাখাইনের গণহত্যার বিচার ও নিজ দেশে ফিরে যেতে অ্যান্তোনিও গুতেরেসের কাছে আকুতি জানান। পাশাপাশি খাবার বিল কমানোসহ টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বক্তব্যও দেন তারা।

এসময় রোহিঙ্গাদের আশ্বস্ত করে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে জোরালো আওয়াজ তুলবো। কারণ, সম্মানের সঙ্গে এখানে বসবাসের জন্য এই সম্প্রদায়ের মানবিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, ক্যাম্পে রোহিঙ্গা মানসম্মত জীবনযাপন প্রয়োজন। এটি নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে জাতিসংঘ। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আমি আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। যত দেশ সম্ভব আমি কথা বলব, যাতে করে ফান্ড পাওয়া যায় এবং এর থেকে আরও খারাপ পরিস্থিতি না আসে।